ঘুমানোর দু’আ

» ঘুমানোর দু’আ «

হযরত হুযাইফা রা.
থেকে বর্ণিত,

রাসুলুল্লাহ্
সাল্লাল্লাহু
আলাইহি ওয়াসাল্লাম
যখন রাতে বিছানায়
ঘুমাতে যেতেন তখন
ডান হাত গালের
নিচে রাখতেন
এবং বলতেন

ﺍَﻟَّﻬُﻢَّ ﺑِﺎِﺳْﻤِﻚَ ﺍَﻣُﻮْﺕَ ﻭَ ﺍَﺣْﻲ
(আল্লাহুম্মা বিইস্
মিকা আমুতু
ওয়া আহ্ইয়া)

#অর্থ : “হে আল্লাহ্
আপনার নামেই
আমি মৃত্যু বরণ
করি এবং জীবিত
থাকি”
[বুখারী, আবু দাউদ,
তিরমিযী]

দাড়িয়ে পানি পান করা হারাম

#দাঁড়িয়ে_পানাহার করা হারাম।

★ যেহেতু আল্লাহর রাসুল (সাঃ)
বলেছেন,

“তোমাদের মধ্যে কেউ
যেন দাঁড়িয়ে পান না করে। কেউ
ভুলে গিয়ে পান করে থাকলে সে
যেন তা বমি করে ফেলে।” (মুসলিম
২০২৬ )

আনাস (রাঃ) বলেন, ‘

নবী (সাঃ)
নিষেধ করেছেন যে, কোন লোক
যেন দাঁড়িয়ে পান না করে।’ আনাস
(রাঃ) কে দাঁড়িয়ে খাওয়া
সম্পর্কে জিজ্ঞেসা করা হলে
তিনি বলেন, ‘এটা তো আরও খারাপ
ও আরও নোংরা।’ (মুসলিম ২০২৪ নং)

হাদিসে দাঁড়িয়ে পান করার
ব্যাপারে নবী (সাঃ) ধমক
দিয়েছেন এবং তিনি বলেছেন,
“(তুমি দাঁড়িয়ে পান করলে) তোমার
সাথে শয়তান পান করেছে।”

অবশ্য দাঁড়িয়ে পান বৈধ হওয়ার
ব্যাপারেও হাদিস বর্ণিত হয়েছে।
.
(বুখারি ১৬৩৭, ৫৬১৫, মুসলিম ২০২৭, ইবনে
মাজাহ ৩৩০১ নং প্রমুখ) সুতরাং বসার
জায়গা না থাকলে অথবা অন্য কোন
অসুবিধায় বা প্রয়োজনে দাঁড়িয়ে
পানাহার করা হারাম নয়।
(আলবানি, সিঃ সহিহাহ ১৭৫ নং)

*যিকিরের লাভ.
1.যিকিরের মজলিস
ফেরেশতাদেরই মজলিস।
2.হুজুর (সঃ)এরশাদ করেন,আল্লাহ
পাক বলেন যে,তুমি ফজরের
নামাজের পরে ও আসরের
নামাজের পরে কিছুক্ষণ আমার
যিকির করে নাও।আমি মধ্যবর্তী
সময়ের জন্য যথেষ্ট হব। Continue reading “”

নামায আদায়কারীর পুরস্কার ও উপকারিতা

নামায আদায়কারীর পুরস্কার ও
উপকারিতা

লিখেছেন সীমান্ত ঈগল

#আখেরাতের পুরুস্কার

উম্মুল মোমেনীন হযরত আয়েশা
ছিদ্দিকা রা. বলেন: নবী
করীম সা. এর এ রকম অভ্যাস ছিল
যে, তিনি যখন ঘরে তাশরীফ
আনতেন কোন লৌকিকতা
ছাড়াই ঘরবাসীদের সাথে
প্রাণ খুলে কথাবার্তা বলতেন। Continue reading “নামায আদায়কারীর পুরস্কার ও
উপকারিতা”

সর্বোত্তম নামাজ

‘আব্দুল্লাহ ইবনে ‘আমর
ইবনে ‘আস রাদিয়াল্লাহু আনহু
হতে বর্ণিত,

রাসূলুল্লাহ
সাল্লাল্লাহু
আলাইহি ওয়াসাল্লাম
বলেছেন,

আল্লাহর নিকট সর্বোত্তম
নামায,
দাউদ ﻋﻠﻴﻪ ﺍﻟﺴﻼﻡ -এর নামায
এবং আল্লাহর নিকট সর্বোত্তম
রোযা,
দাউদ ﻋﻠﻴﻪ ﺍﻟﺴﻼﻡ -এর রোযা;

তিনি অর্ধরাত নিদ্রা যেতেন
এবং রাতের তৃতীয় ভাগে
ইবাদত
করার জন্য উঠতেন। অতঃপর
রাতের
ষষ্ঠাংশে আবার নিদ্রা
যেতেন।
(অনুরূপভাবে) তিনি একদিন
রোযা রাখতেন ও একদিন
রোযা ত্যাগ
করতেন।” (বুখারী ও মুসলিম)

আবূ হুরাইরা
রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু থেকে
বর্ণিত। তিনি বলেন,

একদা
আমরা রাসূলুল্লাহ
সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি
ওয়াসাল্লামএর কাছে
উপস্থিত ছিলাম। Continue reading “”