ঘুমানোর দু’আ

» ঘুমানোর দু’আ «

হযরত হুযাইফা রা.
থেকে বর্ণিত,

রাসুলুল্লাহ্
সাল্লাল্লাহু
আলাইহি ওয়াসাল্লাম
যখন রাতে বিছানায়
ঘুমাতে যেতেন তখন
ডান হাত গালের
নিচে রাখতেন
এবং বলতেন

ﺍَﻟَّﻬُﻢَّ ﺑِﺎِﺳْﻤِﻚَ ﺍَﻣُﻮْﺕَ ﻭَ ﺍَﺣْﻲ
(আল্লাহুম্মা বিইস্
মিকা আমুতু
ওয়া আহ্ইয়া)

#অর্থ : “হে আল্লাহ্
আপনার নামেই
আমি মৃত্যু বরণ
করি এবং জীবিত
থাকি”
[বুখারী, আবু দাউদ,
তিরমিযী]

যমিন কথা বলবে

আবূ হুরাইরা
রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু থেকে
বর্ণিত। তিনি বলেন,
রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু
‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম এ
আয়াত পাঠ করলেনঃ “সেদিন
তা(যমীন) তার সমস্ত বিষয়
বর্ণনা করবে” (সূরা
যিলযালঃ ৪)। অতঃপর তিনি
জিজ্ঞেস করলেনঃ
তোমরা কি জানো
সেদিন জমীন কি বর্ণনা
করবে? উপস্থিত সবাই
বললেনঃ আল্লাহ্ ও তাঁর
রাসূলই ভালো জানেন।
তিনি বলেনঃ যমীন যে
বিষয় বর্ণনা করবে তা এই যে,
তার উপরে নর-নারী কি কি
করেছে সে সম্পর্কে সাক্ষ্য
দিয়ে বলবে, তুমি এই দিন এই
এই কাজ করেছ। এগুলো
হলো তার বর্ণনা। [ইমাম
তিরমিযী হাদীসটি উদ্ধৃত
করে বলেন, এটি হাসান ও
সহীহ হাদীস।]
_____________________________
[ ﺃﺧﺮﺟﻪ : ﺍﻟﺘﺮﻣﺬﻱ ‏( 2429 ‏) ، ﻭﺍﻟﻨﺴﺎﺋﻲ ﻓﻲ
” ﺍﻟﻜﺒﺮﻯ ” ‏( 11693 ‏) ﻭﻗﺎﻝ ﺍﻟﺘﺮﻣﺬﻱ ﻋﻨﻪ :
‏( ‏( ﺣﺪﻳﺚ ﺣﺴﻦ ﻏﺮﻳﺐ ﺻﺤﻴﺢ ‏) ‏) ﻋﻠﻰ ﺃﻥَّ
ﺳﻨﺪ ﺍﻟﺤﺪﻳﺚ ﺿﻌﻴﻒ ]
[তিরমিযী: ( 2429 ), নাসায়ী
আলকোবরা: ( 11693 ) এবং
তিরমিযী এ হাদীসটি
সম্পর্কে বলেন: হাদীসটি
হাসান গরীব সহীহ্ @]

সর্বোত্তম সাদক্কাহ্

*-** #সর্বোত্তম_সাদক্বাহ্ *-**

রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি
ওয়া সাল্লাম বলেছেন,

সর্বোত্তম

সদকা আল্লাহর রাহে তাঁবুর ছায়ার
ব্যবস্থা করে দেওয়া, (যার দ্বারা
মুজাহিদ উপকৃত হয়)। আর আল্লাহর
রাস্তায় কোন খাদেম দান করা
(যার দ্বারা মুজাহিদ সেবা গ্রহণ
করে। কিংবা আল্লাহর পথে
(গর্ভধারণের উপযুক্ত হৃষ্টপুষ্ট) উটনী
দান করা, (যার দুধ দ্বারা মুজাহিদ
উপকৃত হয়)।”

(তিরমিযী হাসান, সহীহ)
তিরমিযী ১৬২৭, আহমাদ ২৭৭৭২
হাদিসের মানঃ হাসান।

অস্ত্র দ্বারা মুসলিমকে ইশারা করা হারাম

# #অন্ত্র_দ্বারা_কোন মুসলিমকে
ইশারা করা হারাম##
.
নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি
ওয়াসাল্লাম বলেছেন, ‘‘তোমাদের
কেউ যেন তার কোন ভাইয়ের প্রতি
অস্ত্র উত্তোলন করে ইশারা না করে।
কেননা, সে জানে না হয়তো শয়তান
তার হাতে ধাক্কা দিয়ে দেবে,
ফলে [মুসলিম হত্যার অপরাধে] সে
জাহান্নামের গর্তে নিপতিত
হবে।’’
(বুখারী ও মুসলিম) [1]

# #মুসলিমের এক বর্ণনায় আছে যে,
তিনি বলেন,

‘‘যে ব্যক্তি তার
(মুসলিম) ভাইয়ের প্রতি কোন লৌহদণ্ড
[লোহার অস্ত্র] দ্বারা ইঙ্গিত করে,
সে ব্যক্তিকে ফিরিশতাবর্গ
অভিশাপ করেন; যতক্ষণ না সে তা
ফেলে দিয়েছে। যদিও সে তার
নিজের সহোদর ভাই হোক না কেন।’’
[ # অর্থাৎ তাকে মারার ইচ্ছা না
থাকলেও ইঙ্গিত করে ভয় দেখানো
গোনাহর কাজ।]
[1] সহীহুল বুখারী ৭০৭২, মুসলিম ২৬১৭,
তিরমিযী ২১৬৩, আহমাদ ২৭৪৩২
হাদিসের মানঃ সহিহ ।

,,আসুন, আল্লাহকে স্মরণ করি

আল্লাহকে স্মরণ করবে তো তাঁকে
তোমার সম্মুখে পাবেঃ

আবূ আব্বাস আব্দুল্লাহ্ ইবন আব্বাস
রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু বর্ণনা করেছেন-
একদিন আমি রাসূলুল্লাহ্
(সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি
ওয়াসাল্লাম)-এর পিছনে ছিলাম,

তিনি আমাকে বললেন:
“হে যুবক!

Continue reading “,,আসুন, আল্লাহকে স্মরণ করি”