ইতিকাফ কেন করবেন

যারা ইতিকাফে বসবেন তারা ২০ রমজান
মাগরিবের আগেই মসজিদে অবস্তান
করুন
।২০ রমজান মাগরিব থেকেই শেষ ১০ দিন
শুরু….
.

image

ইতিকাফ কেন করবেন
নবী (সঃ) ইতিকাফকে খুব গুরুত্ব
দিতেন। হজরত আয়েশা (রা.)
বলেছেন, ‘রাসুলুল্লাহ (সা.) প্রতি
রমজানের শেষ দশক (মসজিদে)
ইতিকাফ করতেন। এ আমল তাঁর
ইন্তেকাল পর্যন্ত কায়েম
ছিল।’ (বুখারি ও মুসলিম)

.
“ইতিকাফ বলতে কী বুঝায় বা এর
পরিচয় কী” ?
পবিত্র রমজান মাসে বিভিন্ন
ইবাদত-বন্দেগির মধ্যে এতেকাফ
একটি গুরুত্বপূর্ণ ইবাদত। ‘ইতিকাফ’
একটি আরবি শব্দ। এর আভিধানিক অর্থ
অবস্থান করা, স্থির থাকা, কোনো
স্থানে আটকে পড়া বা আবদ্ধ হয়ে
থাকা।
.
ইসলামি শরিয়তের পরিভাষায়
রমজান মাসের শেষ দশক বা অন্য
কোনো দিন জাগতিক কাজকর্ম ও
পরিবার-পরিজন থেকে কিছুটা
বিচ্ছিন্ন হয়ে আল্লাহকে রাজি
খুশি করার নিয়তে পুরুষের জন্য
মসজিদে বা নারীদের ঘরে
নামাজের নির্দিষ্ট একটি স্থানে
ইবাদত করার উদ্দেশ্যে অবস্থান করা ও
স্থির থাকাকে ইতিকাফ বলে।
.
“কোরআন-হাদিসে ইতিকাফ প্রসঙ্গ”
পবিত্র কোরআনের আয়াতে সূরা
বাকারা : ১৮৭নং আয়াতে ইরশাদ
করেছেন, আর তোমরা মসজিদে
এতেকাফ কালে স্ত্রীদের সাথে
মেলামেশা করো না
.
নবী (সঃ) ইতিকাফকে খুব গুরুত্ব
দিতেন। হজরত আয়েশা (রা.)
বলেছেন, ‘রাসুলুল্লাহ (সা.) প্রতি
রমজানের শেষ দশক (মসজিদে)
ইতিকাফ করতেন। এ আমল তাঁর
ইন্তেকাল পর্যন্ত কায়েম
ছিল।’ (বুখারি ও মুসলিম)
.
“ইতিকাফ কত প্রকার ও কি কি” ?
ইতেকাফ তিন প্রকার-
১. ওয়াজিব,
২. সুন্নাতে মুয়াক্কাদাহ আলাল
কিফায়া।,
৩. মুস্তাহাব/নফল ,
.
১. ইতিকাফ করার মানত করলে সে
ইতিকাফ আদায় করা ওয়াজিব।
২. রমজানের শেষ ১০ দিনে ইতেকাফ
করা সুন্নাতে মুয়াক্কাদাহ আলাল
কিফায়া। সুন্নতে মুয়াক্কাদা
আলাল কিফায়া মানে হলো, একটি
মহল্লা বা এলাকার সবার পক্ষে অন্তত
একজন আদায় করতে হবে। না হয় পুরো
এলাকাবাসীর গুনাহ হবে।
৩. আর রমজানের শেষ ১০ দিন
ব্যতিরেকে যত ইতেকাফ করা হবে-
তা মুস্তাহাব। কোনো ফুকাহা
ইকরাম একে নফল ইতিকাফও বলেছেন।
.
“ইসলামের দৃষ্টিতে সবচেয়ে উৎকৃষ্ট
ইতেকাফ” ?
মসজিদুল হারামে আদায়কৃত ইতিকাফ
ইসলামের দৃষ্টিতে সবচেয়ে উৎকৃষ্ট
ইতেকাফ। তারপর মসজিদে নববীর
ইতিকাফ এবং তারপর বায়তুল
মুকাদ্দাস। তারপর উৎকৃষ্ট ইতেকাফ
হলো- কোনো জামে মসজিদে
ইতিকাফ করা যেখানে রীতিমতো
জামায়াতে নামায হয়। এরপর
মহল্লার মসজিদে।
.
“একজন মুসলিম কেন ইতিকাফ করবে” ?
১- একটি ইসলামের বিধান মান্য
করার মাধ্যমে আল্লাহর সাথে সম্পর্ক
দৃঢ় করার উদ্দেশ্যে ।
২-মানবীয় পাশবিক প্রবণতা এবং
অহেতুক কাজ থেকে দুরে থাকার
চর্চা।
৩- শবে কদর তালাশ করার উদ্দেশ্যে।
.
মহানবী (সা.) বলেন, আমি লাইলাতুল
কদরের সৌভাগ্য ও মহিমা অনুসন্ধানে
প্রথম দশদিন ও মাঝের দশদিন এতেকাফ
করেছি অবশেষে আমার কাছে একজন
ফেরেশতা এসে বলেছেন, লাইলাতুল
কদর শেষ দশকে। কাজেই তোমাদের
মধ্যে যারা লাইলাতুল কদরকে অর্জন
করতে চায়, তারা যেন শেষ দশকে
এতেকাফ করে।
.
আল্লাহ্ আমাদের লাইলাতুল কদরে
নেক আমলে তোমার সন্তুষ্টি অর্জনের
তওফিক দাও #আমিন

Advertisements

Leave a Reply

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / Change )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / Change )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / Change )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / Change )

Connecting to %s