যে ব্যক্তি জুমু’আর দিন সূরা_কাহফ পাঠ

রাসূলুল্লাহ
সল্লাল্লাহুআলাই
হি ওয়াসাল্লাম
বলেছেনঃ

যে ব্যক্তি জুমু’আর
দিন # সূরা_কাহফ পাঠ করবে,
সে ৮ দিন পর্যন্ত সমস্ত
ফিতনা-ফাসাদ
থেকে নিরাপত্তা লাভ
করবে ।
এমনকি যদি এই সময়ের
মধ্যে দাজ্জাল ও এসে পড়ে,
তবে তার
ফিতনা থেকে তাকে
রক্ষা করা হবে”

[ ইবনু
কাসীর ]
[ সুরা কাহাফ ১৫ নং পারার
২য় সুরা।কেউ
যদি না পারেন বা না শিখে
থাকেন
তাইলে এখনি শিখে নিন ]
→ পোস্ট টি শেয়ার করুন

সুরা আল কালাম ১০ -১১

সে ব্যক্তির অনুসরণ করো না, যে
কথায় কথায় শপথ করে, যে লাঞ্ছিত,
যে অসাক্ষাতে নিন্দা করে, যে
একজনের কথা অন্যজনের কাছে
লাগায়।”

[সুরা আল কালাম ১০ -১১]

ঘুমানোর দু’আ

» ঘুমানোর দু’আ «

হযরত হুযাইফা রা.
থেকে বর্ণিত,

রাসুলুল্লাহ্
সাল্লাল্লাহু
আলাইহি ওয়াসাল্লাম
যখন রাতে বিছানায়
ঘুমাতে যেতেন তখন
ডান হাত গালের
নিচে রাখতেন
এবং বলতেন

ﺍَﻟَّﻬُﻢَّ ﺑِﺎِﺳْﻤِﻚَ ﺍَﻣُﻮْﺕَ ﻭَ ﺍَﺣْﻲ
(আল্লাহুম্মা বিইস্
মিকা আমুতু
ওয়া আহ্ইয়া)

#অর্থ : “হে আল্লাহ্
আপনার নামেই
আমি মৃত্যু বরণ
করি এবং জীবিত
থাকি”
[বুখারী, আবু দাউদ,
তিরমিযী]

যে কোন ব্যক্তি নিজেকে
আল্লাহর কোন মাখলুকের তুলনায়
উত্তম মনে করবে, সে-ই দাম্ভিক;
অহংকারী

বস্তুতঃ তোমার এ কথা
মনে রাখা উচিত,

যে ব্যক্তি
আখিরাতের জীবনে আল্লাহর
কাছে ভালো, সে-ই প্রকৃত ভালো।
আর এটা এমন এক বিষয়, যা অদৃশ্য এবং
জীবনের শেষ মূহুর্তের উপর
নির্ভরশীল। অতএব, তোমার
নিজেকে অন্যের তুলনায় উত্তম মনে
করা নিতান্ত মূর্খতা ছাড়া কিছু
নয়।”
— ইমাম আবু হামিদ আল-গাজ্জালী
(রাহিমাহুল্লাহ)

দাড়িয়ে পানি পান করা হারাম

#দাঁড়িয়ে_পানাহার করা হারাম।

★ যেহেতু আল্লাহর রাসুল (সাঃ)
বলেছেন,

“তোমাদের মধ্যে কেউ
যেন দাঁড়িয়ে পান না করে। কেউ
ভুলে গিয়ে পান করে থাকলে সে
যেন তা বমি করে ফেলে।” (মুসলিম
২০২৬ )

আনাস (রাঃ) বলেন, ‘

নবী (সাঃ)
নিষেধ করেছেন যে, কোন লোক
যেন দাঁড়িয়ে পান না করে।’ আনাস
(রাঃ) কে দাঁড়িয়ে খাওয়া
সম্পর্কে জিজ্ঞেসা করা হলে
তিনি বলেন, ‘এটা তো আরও খারাপ
ও আরও নোংরা।’ (মুসলিম ২০২৪ নং)

হাদিসে দাঁড়িয়ে পান করার
ব্যাপারে নবী (সাঃ) ধমক
দিয়েছেন এবং তিনি বলেছেন,
“(তুমি দাঁড়িয়ে পান করলে) তোমার
সাথে শয়তান পান করেছে।”

অবশ্য দাঁড়িয়ে পান বৈধ হওয়ার
ব্যাপারেও হাদিস বর্ণিত হয়েছে।
.
(বুখারি ১৬৩৭, ৫৬১৫, মুসলিম ২০২৭, ইবনে
মাজাহ ৩৩০১ নং প্রমুখ) সুতরাং বসার
জায়গা না থাকলে অথবা অন্য কোন
অসুবিধায় বা প্রয়োজনে দাঁড়িয়ে
পানাহার করা হারাম নয়।
(আলবানি, সিঃ সহিহাহ ১৭৫ নং)